উজান থেকে নেমে আসা পানি ও ভারী বর্ষণে উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের কিছু এলাকায় তিস্তার পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে, যার ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বাড়লেও ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কমেছে। তবে আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানি বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের মাতামুহুরীর পানি বাড়লেও গোমতী, ফেনী ও সাঙ্গুসহ কয়েকটি নদীর পানি কমেছে। তবে আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানিও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পূর্বাভাস কেন্দ্র।
এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তিস্তা অববাহিকার সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।