দেশে উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে—এমন কৃষি ও খাদ্যপণ্যের আমদানি কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল ও লাভজনক করতে হবে। এ জন্য কৃষকদের কাছে দ্রুত উন্নত জাত, আধুনিক প্রযুক্তি, সেচ ও যান্ত্রিকীকরণের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
বৈঠকে ভোজ্য তেলের আমদানিনির্ভরতা কমাতে সরিষার উৎপাদন বাড়ানোর অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে সরিষার উৎপাদন ৮ দশমিক ২৪ লাখ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৫ দশমিক ৪১ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে।
এ ছাড়া পেঁয়াজের উৎপাদন ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো, লবণাক্ততা, খরা ও জলাবদ্ধতাসহিষ্ণু জাত সম্প্রসারণ এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বিভিন্ন ফসলের ১ হাজার ৯০টি জাত এবং এক হাজারের বেশি কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌর সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন।