কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় বাহারছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে এলাকাবাসী। তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক লড়াকু এই নেতা নতুন দায়িত্ব পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন।
মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন এলাকার এক সম্ভ্রান্ত ও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তিনি টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান ইউপি সদস্য জননেতা আলহাজ্ব আব্দুল হকের সুযোগ্য সন্তান। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি একাধিকবার কারা নির্যাতন ও রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হন। ত্যাগ ও রাজপথের সক্রিয় ভূমিকার মূল্যায়ন হিসেবে সংগঠন তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে ভূষিত করায় তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন বাহারছড়াবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা আমার চলার পথের মূল শক্তি। আপনাদের সমর্থন পাশে থাকলে ভবিষ্যতে টেকনাফ ও বাহারছড়াবাসীর কল্যাণে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারব।”
এ সময় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা ও সামাজিক অপরাধ দমনে একটি স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দেন এই নবনির্বাচিত নেতা:
মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে শেষ হুঁশিয়ারি: নিজ এলাকাকে মাদকমুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ১ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশেপাশে যারা গাঁজা ও ইয়াবা সেবন এবং বিক্রির মতো অপকর্মের সাথে যুক্ত, তারা অনতিবিলম্ব এসব ছাড়ে ভালো পথে ফিরে আসুন, নয়তো এলাকা ছেড়ে চলে যান। মাদকের সাথে কোনো আপস করা হবে না।
পাহাড়ি অপহরণ রোধে বিশেষ উদ্যোগ: টেকনাফের পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থানরত ডাকাত ও অপহরণকারী চক্রের তৎপরতা বন্ধে বিএনপি পরিবার এবং সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সজাগ দৃষ্টি রাখা হবে। অসহায় মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
রাসেল উদ্দিনের এমন সাহসী ও কঠোর সামাজিক বার্তা পাওয়ার পর থেকেই বাহারছড়ার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় সচেতন মহল তাঁর এই বাস্তবমুখী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলকে নতুন গতিশীলতা দেওয়ার পাশাপাশি বাহারছড়াকে একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।