বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিটি রাষ্ট্র একসঙ্গে বিকশিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার ঢাকায় ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। সমুদ্রবন্দর, নৌপথ, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সহযোগিতা বাড়িয়ে অভিন্ন সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো সম্ভব। এতে নতুন বাজার তৈরি হওয়ার পাশাপাশি তরুণদের জন্যও সৃষ্টি হবে নতুন সুযোগ।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনও প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। তাদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রয়োজন। সংকটের উৎপত্তি যেহেতু মিয়ানমারে, এর সমাধানও মিয়ানমারেই হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে যাবে। শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাই হবে যৌথ সমৃদ্ধির ভিত্তি।