দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর ইরাক থেকে পুরোপুরি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার দেশটিতে অবস্থানরত শেষ মার্কিন সেনারাও ইরাক ছেড়ে গেছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে নতুন এক যুগের সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাগদাদ সরকার।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বলেছেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ইরাক নতুন দিনের পথে প্রবেশ করেছে। একই সঙ্গে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হয়ে পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা ছিল বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই সম্পন্ন হয় পুরো প্রক্রিয়া।
২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৭ সালে দেশটিতে মার্কিন সেনার সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ২০১১ সালে সেনা কমানো হলেও ২০১৪ সালে আইএসবিরোধী অভিযানের জন্য আবারও মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়।
তবে মার্কিন বাহিনী চলে যাওয়ার পর ইরাকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সৃষ্ট শূন্যতার সুযোগ নিয়ে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দেশটিতে নিজেদের প্রভাব আরও বাড়াতে পারে।